ঈদের সালাত ১২ তাকবীর হল কেন ?
ঈদের সালাত ১২ তাকবীর হল কেন ?
ঈদ মানে খুশি । মুমিন বান্দা বেশি খুশি হবে যেদিন তাঁর রবের, সৃষ্টিকর্তার সাক্ষাত পাবে এবং বেহেস্তে প্রবেশ করবে ।
গভিরভাবে চিন্তা করে দেখুন, মেরাজে রাসুল (সাঃ) ৭ আসমান অতিক্রম করেছিলেন এবং আল্লাহ’র নিকট হতে ৫ ওয়াক্ত ফরজ সালাত বান্দার জন্য নিয়ে এসেছেন ।
এটা হতে পারে যে, ঈদের সালাতের ১ম ৭ তাকবীর একেকটি আকাশ অতিক্রমের স্মরনে করা হয়েছে এবং ২য় ৫ তাকবীর ৫ ওয়াক্ত সালাত পাওয়ার স্মরনে করা হয়েছে । (আল্লাহ ভাল জানেন)
যাই হোক না কেন[by-sgis-its baseless]]
সহীহ হাদিসে ১ম রাকাতে ৭ ও ২য় রাকাতে ৫ বর্ণিত হয়েছে তাই ঈদের সালাত ১২ তাকবীর ।
১ম ৭ তাকবীর হল- ১ তাকবীরে তাহরীমা + অরিতিক্ত ৬ তাকবীর =৭ তাকবীর । বেদাতীরা তাওকবীরে তাহরীমা + অতিরক্ত ৩ বা ৭ তাকবীর দেয় ।
২য় ৫ তাকবীর হল- ১ম রাকাতের সেজদা হতে উঠে, হাত বাঁধার পর ফাতেহা, কেরাতের আগে ৫ তাকবীর । বেদাতীরা ফাতেহা, কেরাতের পরে ২য় সেজদার আগে তিন বা ৫ তাকবীর দেয় ।
সহীহ পদ্ধতী হল সকল রাকাতে ফাতেহা, কেরাতের আগে তাকবীর হবে ।
অনেকে উপরে কথার দলিল জানতে চেয়েছেন । দলিল দেখুন-
তাকবীর
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে রাসুল (সঃ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালতে প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে কিরাতের পুর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (আবু দাউদ ১ম খন্ড ১৬৩ পৃঃ; দারা কুতনী ১ম খন্ড ১৮০ পৃঃ; তায়ালীকুল মাগানী দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৬ পৃঃ)
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯২ পৃঃ; সুনানে দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুস্তাদরাকে হাকিম ১ম খন্ড ২৯৮ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ইমাম বাগাবী ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৫ পৃঃ; মুসনাদে আহমাদ কানযুল উম্মাল সম্পাদিত ৬ষ্ঠ খন্ড ৬৫ পৃঃ; বায়হাকী সুনানুস সগীর ১ম খন্ড ২০৬ পৃঃ; বায়হাকী মা’আরিফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৭১ পৃঃ; সহীহ ইবনু খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ)
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (সঃ) বলেছেন- দুই ঈদের সালাতের তাকবীর হলো প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে পাঁচ তাকবীর (দারাকুতনী ১ম খন্ড ১৮১ পৃঃ; তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; নাইলুল আওতার ৩য় খন্ড ৩৬৭ পৃঃ; শরহে মায়ানীল আসার তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ)
হযরত নাফে (রহঃ) বলেন আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়েছি । তিনি উভয় নামাযে প্রথম রাকাতে কেরাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর বলেছেন (আল মুয়াত্তা ইমাম মালেক ২/২৩২ হাঃ ৪৩৪; ইরওয়াউল গালীল ৩/১১০; তাহাবী ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক ৩য় খন্ড ২৯২ পৃঃ; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ২য় খন্ড ৮১ পৃঃ; ইলাদুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৪১ পৃঃ হাঃ ২৩৯)
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি নবী (সঃ) হতে বর্ণনা করেন যে নবী (সঃ) দু’ঈদের সালাতে ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কিরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (ইলালুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৬ পৃঃ; আহমাদ শাকের সম্পাদিত মুসনাদে আহমাদ ১৬তম খন্ড ২৭৮ পৃঃ)
কাসীর বিন আব্দিল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি পিতা হতে এবং তার পিতা তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে আল্লাহর নবী (সঃ) দুই ঈদের সালাতে প্রথম রাকাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (তিরমিযী কুতুবখানা রাশেদিয়া ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; মাকতাবা আশরাফিয়া দেওবন্দ ১১৯ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯১ পৃঃ; মেশকাত ১২৬ পৃঃ; সহীহ ইবনে খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; আল আওসাত ৪র্থ খন্ড ২৭৮ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; সুনানে কুবরা বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৪ পৃঃ; ত্ববরানী কাবির ১৭তম খন্ড ১৫ পৃঃ; বায়হাকী মা’আরেফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৬৯-৭০ পৃঃ)
খুৎবার পূর্বে দু’রাকাত নামায, ১ম রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৭ তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৫ তাকবীর (মেশকাত ১২৬ পৃঃ)
১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়ার হাদিস সহীহ (ফেকাহ শরাহ বেকায়া ১৫১ পৃঃ)
চার খলিফা সহ প্রায় সকল সাহাবী তাবেয়ী ও শ্রেষ্ঠ ইমামগণ ১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়েছে (বায়হাকী ৩য় খন্ড ২৯১ পৃঃ)
আবু ইউসুফ (রহঃ) হতে বর্ণিত তিনি ঈদের সালাতে ১২ তাকবীর দিতেন (বাদায়িউস সানায়ী ১ম খন্ড ৪২০ পৃঃ)
আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ থেকে বর্ণিত আছে যে তারা উভয়ই ১২ তাকবীরে ঈদের সালাত পড়তেন (রদ্দুল মুহতার, দুররে মুখতার শামী ৩য় খন্ড ৫০ পৃঃ)
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) ১২ তাকবীরের উপর আমল করেছেন । এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত নয় বরং তাহলো নবী (সঃ) এর নির্দেশ । যার উপর আমল করা অপরিহার্য কর্তব্য (আত-তালীকুল মুমাজ্জাদ ১৪১ পৃঃ; আইনী তোহফা সালাতে মোস্তফা ২য় খন্ড ১৩৯ পৃঃ)
১২ তাকবীরই হলো সর্বোত্তম এবং এটার উপরই আমল করতে হবে (আল মুগনী ৩য় খন্ড ২৭২ পৃঃ)
ঈদের সালাতের তাকবীরে মুক্তাদিরা ইমামের অনুসরণ করবে, অধিকাংশ সাহাবা (রাঃ) ও অধিকাংশ ওলামাগণ ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে পাঁচ তাকবীর দিতেন (মাজমুয়া ফাতওয়া ইবনে তাইমিয়া ২৪তম খন্ড ২২০ পৃঃ)
১ম রাকাতে পরস্পর সাত তাকবীর দিতে হবে এবং ২য় রাকাতে পরস্পর পাঁচ তাকবীর দিতে হবে (যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ২৫১ পৃঃ)
ঈদের সালাতে ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (মিশকাত-মাওলানা নুর মোহাম্মাদ আযমী ৩য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; মিসকাত মাদ্রাসার পাঠ্য ২য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; বাংলা অনুবাদ বুখারি মাওলানা আজীজুল হক ১ম খন্ড হাঃ ৫৩৬; সহিহ আল বুখারি আঃ প্রঃ ১ম খন্ড হাঃ ৯১৫, ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪; বুখারী শরীফ ইঃ ফাঃ ২য় খন্ড হাঃ ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪)
জানাতে পারেন
২৯) ঈদের নামাযের তাকবীর সংখ্যা ৬ টি । এর কুরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল লিখিত জানাবেন ।
ঈদ মানে খুশি । মুমিন বান্দা বেশি খুশি হবে যেদিন তাঁর রবের, সৃষ্টিকর্তার সাক্ষাত পাবে এবং বেহেস্তে প্রবেশ করবে ।
এটা হতে পারে যে, ঈদের সালাতের ১ম ৭ তাকবীর একেকটি আকাশ অতিক্রমের স্মরনে করা হয়েছে এবং ২য় ৫ তাকবীর ৫ ওয়াক্ত সালাত পাওয়ার স্মরনে করা হয়েছে । (আল্লাহ ভাল জানেন)
যাই হোক না কেন
সহীহ হাদিসে ১ম রাকাতে ৭ ও ২য় রাকাতে ৫ বর্ণিত হয়েছে তাই ঈদের সালাত ১২ তাকবীর ।
১ম ৭ তাকবীর হল- ১ তাকবীরে তাহরীমা + অরিতিক্ত ৬ তাকবীর =৭ তাকবীর । বেদাতীরা তাওকবীরে তাহরীমা + অতিরক্ত ৩ বা ৭ তাকবীর দেয় ।
২য় ৫ তাকবীর হল- ১ম রাকাতের সেজদা হতে উঠে, হাত বাঁধার পর ফাতেহা, কেরাতের আগে ৫ তাকবীর । বেদাতীরা ফাতেহা, কেরাতের পরে ২য় সেজদার আগে তিন বা ৫ তাকবীর দেয় ।
সহীহ পদ্ধতী হল সকল রাকাতে ফাতেহা, কেরাতের আগে তাকবীর হবে ।
অনেকে উপরে কথার দলিল জানতে চেয়েছেন । দলিল দেখুন-
তাকবীর
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে রাসুল (সঃ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালতে প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে কিরাতের পুর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (আবু দাউদ ১ম খন্ড ১৬৩ পৃঃ; দারা কুতনী ১ম খন্ড ১৮০ পৃঃ; তায়ালীকুল মাগানী দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৬ পৃঃ)
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯২ পৃঃ; সুনানে দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুস্তাদরাকে হাকিম ১ম খন্ড ২৯৮ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ইমাম বাগাবী ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৫ পৃঃ; মুসনাদে আহমাদ কানযুল উম্মাল সম্পাদিত ৬ষ্ঠ খন্ড ৬৫ পৃঃ; বায়হাকী সুনানুস সগীর ১ম খন্ড ২০৬ পৃঃ; বায়হাকী মা’আরিফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৭১ পৃঃ; সহীহ ইবনু খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ)
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (সঃ) বলেছেন- দুই ঈদের সালাতের তাকবীর হলো প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে পাঁচ তাকবীর (দারাকুতনী ১ম খন্ড ১৮১ পৃঃ; তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; নাইলুল আওতার ৩য় খন্ড ৩৬৭ পৃঃ; শরহে মায়ানীল আসার তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ)
হযরত নাফে (রহঃ) বলেন আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়েছি । তিনি উভয় নামাযে প্রথম রাকাতে কেরাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর বলেছেন (আল মুয়াত্তা ইমাম মালেক ২/২৩২ হাঃ ৪৩৪; ইরওয়াউল গালীল ৩/১১০; তাহাবী ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক ৩য় খন্ড ২৯২ পৃঃ; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ২য় খন্ড ৮১ পৃঃ; ইলাদুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৪১ পৃঃ হাঃ ২৩৯)
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি নবী (সঃ) হতে বর্ণনা করেন যে নবী (সঃ) দু’ঈদের সালাতে ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কিরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (ইলালুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৬ পৃঃ; আহমাদ শাকের সম্পাদিত মুসনাদে আহমাদ ১৬তম খন্ড ২৭৮ পৃঃ)
কাসীর বিন আব্দিল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি পিতা হতে এবং তার পিতা তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে আল্লাহর নবী (সঃ) দুই ঈদের সালাতে প্রথম রাকাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (তিরমিযী কুতুবখানা রাশেদিয়া ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; মাকতাবা আশরাফিয়া দেওবন্দ ১১৯ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯১ পৃঃ; মেশকাত ১২৬ পৃঃ; সহীহ ইবনে খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; আল আওসাত ৪র্থ খন্ড ২৭৮ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; সুনানে কুবরা বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৪ পৃঃ; ত্ববরানী কাবির ১৭তম খন্ড ১৫ পৃঃ; বায়হাকী মা’আরেফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৬৯-৭০ পৃঃ)
খুৎবার পূর্বে দু’রাকাত নামায, ১ম রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৭ তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৫ তাকবীর (মেশকাত ১২৬ পৃঃ)
১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়ার হাদিস সহীহ (ফেকাহ শরাহ বেকায়া ১৫১ পৃঃ)
চার খলিফা সহ প্রায় সকল সাহাবী তাবেয়ী ও শ্রেষ্ঠ ইমামগণ ১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়েছে (বায়হাকী ৩য় খন্ড ২৯১ পৃঃ)
আবু ইউসুফ (রহঃ) হতে বর্ণিত তিনি ঈদের সালাতে ১২ তাকবীর দিতেন (বাদায়িউস সানায়ী ১ম খন্ড ৪২০ পৃঃ)
আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ থেকে বর্ণিত আছে যে তারা উভয়ই ১২ তাকবীরে ঈদের সালাত পড়তেন (রদ্দুল মুহতার, দুররে মুখতার শামী ৩য় খন্ড ৫০ পৃঃ)
আবু হুরায়রাহ (রাঃ) ১২ তাকবীরের উপর আমল করেছেন । এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত নয় বরং তাহলো নবী (সঃ) এর নির্দেশ । যার উপর আমল করা অপরিহার্য কর্তব্য (আত-তালীকুল মুমাজ্জাদ ১৪১ পৃঃ; আইনী তোহফা সালাতে মোস্তফা ২য় খন্ড ১৩৯ পৃঃ)
১২ তাকবীরই হলো সর্বোত্তম এবং এটার উপরই আমল করতে হবে (আল মুগনী ৩য় খন্ড ২৭২ পৃঃ)
ঈদের সালাতের তাকবীরে মুক্তাদিরা ইমামের অনুসরণ করবে, অধিকাংশ সাহাবা (রাঃ) ও অধিকাংশ ওলামাগণ ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে পাঁচ তাকবীর দিতেন (মাজমুয়া ফাতওয়া ইবনে তাইমিয়া ২৪তম খন্ড ২২০ পৃঃ)
১ম রাকাতে পরস্পর সাত তাকবীর দিতে হবে এবং ২য় রাকাতে পরস্পর পাঁচ তাকবীর দিতে হবে (যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ২৫১ পৃঃ)
ঈদের সালাতে ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (মিশকাত-মাওলানা নুর মোহাম্মাদ আযমী ৩য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; মিসকাত মাদ্রাসার পাঠ্য ২য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; বাংলা অনুবাদ বুখারি মাওলানা আজীজুল হক ১ম খন্ড হাঃ ৫৩৬; সহিহ আল বুখারি আঃ প্রঃ ১ম খন্ড হাঃ ৯১৫, ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪; বুখারী শরীফ ইঃ ফাঃ ২য় খন্ড হাঃ ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪)
জানাতে পারেন
২৯) ঈদের নামাযের তাকবীর সংখ্যা ৬ টি । এর কুরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল লিখিত জানাবেন ।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
Two Eids Takbirs in Sahih
Hadiths-7+5 [see details in url below]
Kathir bin Abdullah narrated from
this father, from his grandfather:
"The Prophet said the Takbir in
the first (Rak'ah) sever (times) before the recitation, and in the last, five
(times) before the recitation."
Grade
|
: Hasan (Darussalam)
|
Reference
|
: Jami` at-Tirmidhi 536
|
In-book reference
|
: Book 5, Hadith 7
|
English translation
|
: Vol. 1, Book 5,
Hadith 536[sunnah.com]
++++++++++++++++++++++++++
|
+++++++++++++++++++++++++++++++++
Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:
The Messenger of Allah (ﷺ) would say the takbir
(Allah is most great) seven times in the first rak'ah and five times in the
second rak'ah on the day of the breaking of the fast and on the day of
sacrifice (on the occasion of both the 'Id prayers, the two festivals).
Grade
|
: Sahih (Al-Albani)
|
صحيح
(الألباني)
|
حكم :
|
||
Reference
|
: Sunan Abi Dawud 1149
|
||||
In-book reference
|
: Book 2, Hadith 760
|
||||
English translation
|
: Book 3, Hadith 1145
|
||||
+++++++++++++++++++++++++++++++++++
It is Sunnah to say the extra
takbeers i.e. say 'Allaahu Akbar' seven times in the first rak'ah and five
times in the second. [Aboo Daawood, Ahmad & others.] It is preferable
to only raise the hands to the shoulders after the first takbeer and then fold
them upon the chest. However, it is authentically reported from Ibn 'Umar
(radhiAllaahu 'anhumma) that he would raise his hands with every
takbeer. - http://maktabasalafiya.blogspot.in/2011_08_01_archive.html#sthash.OF322FUH.dpuf
++++++++++++++++++++++++
In the first rak’ah he should say Takbeerat
al-ihraam (say “Allaahu akbar” to start the prayer), after which he should say
six or seven more takbeers, because of the hadeeth of ‘Aa’ishah (may Allaah be
pleased with her), “The takbeer of al-Fitr and al-Adha is seven takbeers in the
first rak’ah and five takbeers in the second, apart from the takbeer of
rukoo’.” Narrated by Abu Dawood and classed as saheeh by al-Albaani in Irwa’ al-Ghaleel, 639.
+++++++++++++++++++++++++++++++
See in DETAILS:-
compiled by-sgis-23.09.2015-ghy
[taqwir is not in good[sgis]-https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=1666887226885733&id=1612364305671359]
[taqwir is not in good[sgis]-https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=1666887226885733&id=1612364305671359]

No comments:
Post a Comment