Saturday, 26 September 2015

হজ্জ্বের পর হাজী সাহেবের করণীয় কি?


হজ্জ্বের পর হাজী সাহেবের করণীয় কি? সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, যাঁর নেয়ামতেই সকল সৎকাজসমূহ সম্পন্ন হয়ে থাকে, আর তাঁর দয়াতেই সকল ইবাদাত কবুল হয়ে থাকে। আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর শুকরিয়া আদায় করছি, আর এ সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোন হক মা‘বুদ নেই এবং সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ্ তার উপর, তার পরিবার ও সঙ্গী সাথীদের উপর দুরুদ প্রেরণ করুন এবং বহু পরিমানে সালাম পেশ করুন। তারপর,হজ্ গত হল, তার কার্যাদি পূর্ণ হলো, আর হজের মাসসমূহ তার কল্যাণ ও বরকত নিয়ে চলে গেল। এ দিনগুলো অতিবাহিত হলো, আর মুসলিমগণ তাতে তাদের হজ সম্পাদন করল,তাদের কেউ আদায় করল ফরয হজ্, অপর কেউ আদায় করল
নফল হজ্, তাদের মধ্যে যাদের হজ কবুল হয়েছে তারা তাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে নিয়ে এমন দিনের মত প্রত্যাবর্তন করল যেমন তাদের মাতাগণ তাদেরকে জন্ম দিয়েছিল। সুতরাং সফলকামদের জন্য রয়েছে মুবারকবাদ।
যাদের থেকে তা গ্রহণযোগ্য হয়েছে তাদের সৌভাগ্যই সৌভাগ্য!আল্লাহ তো কেবল মুত্তাকীদের পক্ষ থেকেই কবুল করে থাকেন”।[1]প্রত্যেক মুসলিমের জানা উচিত যে, নেক আমল কবুল হওয়ার কিছু চিহ্ন ও কিছু নিদর্শন রয়েছে। নেক আমল কবুল হওয়ার
অন্যতম চিহ্ন হচ্ছে সে আমলের পরে আবার আমল করতে সমর্থ হওয়া, পক্ষান্তরে সে আমল প্রত্যাখ্যাতহওয়ার চিহ্ন হচ্ছে, সে আমল করার পর খারাপ কাজ করা।সুতরাং যখন হাজী সাহেব হজ থেকে প্রত্যাবর্তন করবেন
এবং তাঁর নিজকে দেখতে পাবেন যে তিনি আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্যের প্রতি অগ্রণী, কল্যাণের প্রতি অনুরাগী,দ্বীনের প্রতি দৃঢ়, অপরাধ ও গোনাহ থেকে দূরে অবস্থানকারী, তখন সে যেন বুঝে নেয় যে আল্লাহ চাহেত এটি আল্লাহ তা‘আলার নিকট তার আমল কবুল হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলামত।
আর যদি নিজকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে পিছপা দেখতে পায়, কল্যাণের কাজ থেকে বিমুখ, অপরাধের প্রতি প্রত্যাবর্তনকারী ও গোনাহের কাজে অগ্রণী, তবে সে যেন বুঝে নেয় যে, এসব কিছু সঠিকভাবে নিজেকে নিয়ে ভাবার অবকাশ দিচ্ছে।হে বাইতুল্লাহর হজকারী, আপনি সে সব সম্মানিত দিনগুলো অতিবাহিত করেছেন, আর পবিত্র স্থানগুলোতে অবস্থান
করেছেন, সুতরাং আপনার এ কাজ যেন হিদায়াতের পথ ও হকের রাস্তায় চলার নতুন মোড় হয়ে দেখা দেয়।হে আল্লাহর আহ্বানে সাড়াদানকারী, আপনি হজে সে আহ্বানে সাড়া দিয়ে তালবিয়া পাঠ করেছেন এবং ডেকেছেন, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ সুতরাং সর্বদা প্রতিটি কাজে আল্লাহর জন্য হাজির থাকতে সচেষ্ট থাকুন। তাঁর আনুগত্যে সর্বদা রত থাকুন; কেননা, যিনি হজের মাসের রব,তিনি অন্য মাসেরও রব, আর আমরা আমৃত্যু আল্লাহর কাছে সাহায্য ও একমাত্র তাঁরই ইবাদত করতে নির্দেশিত হয়েছি।আর আপনার রবের ইবাদত করুন, যতক্ষণ না আপনার কাছে মৃত্যু আসবে।”[2]কল্যাণের মওসুম হে মুসলিম ভাই, মানব জীবনের সাময়িক পরিবর্তন নয়; বরং তা খেল-তামাশা অন্যায়-অবিচার ও ত্রুটি-বিচ্যুতির
জীবন থেকে আল্লাহ তা‘আলার পূর্ণ আনুগত্য ও তাঁর দাসত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন।কল্যাণের মওসুম এরকম কোন স্টেশনের নাম নয় –
যেমনটি কোন কোন মানুষ মনে করে থাকে- যেখানে কোন মানুষ তার ভার লাঘব করবে, তার গোনাহ থেকে পরিত্রাণ নিবে, তারপর সেখান থেকে ফিরে গিয়ে পুণরায় অন্য কোন বোঝা নতুন করে বহন করবে। এটি
নিঃসন্দেহে ভুল বুঝা। যারা এ ধরনের কিছু বোঝে তারা অবশ্যই এ মওসুমগুলোর বাস্তবতা উপলব্ধি করতে ভুল করেছে। বরং এ মওসুমগুলো গাফেলদের সাবধান করার
সুযোগ ও ত্রুটি-বিচ্যুতিকারীদের জন্য উপদেশ; যাতে তারা তাদের গুনাহসমূহ থেকে বিরত হয়ে, তাদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হয়ে, ভবিষ্যতে সেগুলো পরিত্যাগ করার উপর দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে যায়;আর নিশ্চয় যারা তাওবাহ করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে
তারপর হিদায়াত গ্রহণ করে আমি তাদের জন্য অধিক ক্ষমাশীল।3]অনেক সময় দেখা যায়, মানুষ তাদের নফসের প্রবঞ্চনা ও শয়তানের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে পড়ে থাকে; এমনকি
শেষ পর্যন্ত এ অবস্থাতে তাদের মৃত্যু হয়।
সুতরাং হে আল্লাহর ঘরের হজকারী! আপনি তার মত হবেন না যে মজবুত প্রাসাদ নির্মাণ করে সেটার ভিত্তিমুলে আঘাত করে।
“তার মত যে তার সূতা মজবুত করে পাকাবার পর সেটার পাক খুলে নষ্ট করে দেয়।”[4]
কিছু মারাত্মক বিষয় রয়েছে যার জন্য প্রতিটি মুসলিমের সাবধান হওয়া জরুরী, যেমন কিছু মুসলিম আল্লাহর সম্মানিত ঘরের হজ
করে থাকে, অথচ সে তার চেয়েও বড় বস্তু পরিত্যাগ করে থাকে। তাদের মধ্যে কেউ ফরয সালাতই আদায় করে না, নিঃসন্দেহে তার হজ হয় না। কারণ সে সালাত পরিত্যাগকারী।
আর সালাত পরিত্যাগকারী সম্পর্কে কঠোর সাবধানাবাণী ও ধমকি এসেছে, মহান আল্লাহ বলেন,
﴿ ﻣَﺎ ﺳَﻠَﻜَﻜُﻢۡ ﻓِﻲ ﺳَﻘَﺮَ ٤٢ ﻗَﺎﻟُﻮﺍْ ﻟَﻢۡ ﻧَﻚُ ﻣِﻦَ ﭐﻟۡﻤُﺼَﻠِّﻴﻦَ ٤٣ ﴾ [ﺍﻟﻤﺪﺛﺮ :
٤٢، ٤٣ ]
“ ‘তোমাদেরকে কিসে ‘সাকার’-এ নিক্ষেপ করেছে?’ তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না”।[5]
মহান আল্লাহ আরও বলেন,
﴿ ﻓَﺈِﻥ ﺗَﺎﺑُﻮﺍْ ﻭَﺃَﻗَﺎﻣُﻮﺍْ ﭐﻟﺼَّﻠَﻮٰﺓَ ﻭَﺀَﺍﺗَﻮُﺍْ ﭐﻟﺰَّﻛَﻮٰﺓَ ﻓَﺈِﺧۡﻮَٰﻧُﻜُﻢۡ ﻓِﻲ ﭐﻟﺪِّﻳﻦِۗ
ﻭَﻧُﻔَﺼِّﻞُ ﭐﻟۡﺄٓﻳَٰﺖِ ﻟِﻘَﻮۡﻡٖ ﻳَﻌۡﻠَﻤُﻮﻥَ ١١ ﴾ [ﺍﻟﺘﻮﺑﺔ : ١١ ]
“অতএব তারা যদি তাওবাহ্ করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তবে দ্বীনের মধ্যে তারা তোমাদের ভাই”।[6]আরও বলেন,
﴿ ﻓَﺈِﻥ ﺗَﺎﺑُﻮﺍْ ﻭَﺃَﻗَﺎﻣُﻮﺍْ ﭐﻟﺼَّﻠَﻮٰﺓَ ﻭَﺀَﺍﺗَﻮُﺍْ ﭐﻟﺰَّﻛَﻮٰﺓَ ﻓَﺨَﻠُّﻮﺍْ ﺳَﺒِﻴﻠَﻬُﻢۡۚ ﺇِﻥَّ ﭐﻟﻠَّﻪَ
ﻏَﻔُﻮﺭٞ ﺭَّﺣِﻴﻢٞ ٥ ﴾ [ ﺍﻟﺘﻮﺑﺔ : ٥ ]
“কিন্তু যদি তারা তাওবাহ্ করে, সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়[7] তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও”।[8]তাছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« ﺇﻥ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﻭﺑﻴﻦ ﺍﻟﺸﺮﻙ ﻭﺍﻟﻜﻔﺮ ﺗﺮﻙ ﺍﻟﺼﻼﺓ »
“নিশ্চয় একজন লোক এবং শির্ক ও কুফরীর মধ্যে সালাত পরিত্যাগ করাই মাপকাঠি।”
ইমাম মুসলিম জাবের রা. থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন[9]আর ইমাম তিরমিযী বুরাইদাহ রা. থেকে বর্ণনা করেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« ﺍﻟﻌﻬﺪ ﺍﻟﺬﻱ ﺑﻴﻨﻨﺎ ﻭﺑﻴﻨﻬﻢ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻓﻤﻦ ﺗﺮﻛﻬﺎ ﻓﻘﺪ ﻛﻔﺮ »
“আমাদের মধ্যে ও কাফের-মুশরিকদের মধ্যে অঙ্গীকার হচ্ছে সালাতের; সুতরাং যে তা ত্যাগ করবে সে অবশ্যই কাফের হয়ে গেল”।[10]
তাছাড়া তিরমিযী তার গ্রন্থের কিতাবুল ঈমানে সহীহ সনদে প্রখ্যাত তাবে‘য়ী শাকীক ইবন আবদিল্লাহ রহ. থেকে বর্ণনা করেন,
‘মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ অন্যান্য আমলের মধ্যে কেবলমাত্র সালাত ত্যাগকরাকেই কুফরি হিসেবে গন্য করতেন’[11]।তাছাড়া এমন কিছু মানুষও রয়েছে যারা আল্লাহর সম্মানিত ঘরের
হজ করে কিন্তু তারা যাকাত দেয় না; অথচ মহান আল্লাহর কিতাবে যাকাতকে সালাতের সাথে একসাথে উল্লেখ করা হয়েছে,আর তোমরা সালাত কায়েম কর এবং যাকাত প্রদান কর”। [12]আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,আমি তো মানুষের সাথে যুদ্ধ করতে নির্দেশিত হয়েছি যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত
হক কোন মা‘বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, আর সালাত কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, অতঃপর যখন তারা তা
করবে, তখন তারা তাদের রক্ত ও সম্পদ আমার হাত থেকে নিরাপদ পাবে, তবে ইসলামের অধিকার ব্যাপার ভিন্ন, আর
তাদের হিসাবের ভার আল্লাহর উপর”।
ইমাম বুখারী ও মুসলিম ইবন উমর থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেন[13]।আর আবু বকর রা. যাকাত প্রদান করতে অস্বীকারকারীদের
বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন এবং তার সে বিখ্যাত বক্তব্যটি প্রদান করেছিলেন,“আল্লাহর শপথ, অবশ্যই আমি সালাত ও যাকাতের মধ্যে
পার্থক্যকারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব, আল্লাহর শপথ, যদি তারা আমাকে একটি উটের রশি অথবা উটের বাচ্ছা দিতেও অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামকে দিত, তবে অবশ্যই সেটা উদ্ধার করতে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব।[14]”
অনুরূপভাবে কিছু মানুষ আছে যারা হজ্ করে কিন্তু রমযানের রোযা রাখেন না, অথচ রোযা হজের চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ; রোযা হজের আগে ফরয হয়েছে। এ সমস্ত লোক যারা হজ আদায় করে ইসলামের অন্যান্য রুকন নিয়ে
অবহেলা করে তারা যেন এমন শরীরের অঙ্গ নিয়ে ব্যস্ত থাকে যার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন।
একজন মুসলিমের উপর অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে, সে তার দ্বীনের হেফাযত করবে, পূর্ণতার দিকে লক্ষ্য রাখবে,দ্বীনের কোন অংশ ছুটে যাওয়া কিংবা বাদ পড়ে যাওয়ার ব্যাপার যত্নবান হবে। সুতরাং সে যাবতীয় ওয়াজিব আদায়
করবে, নিষেধকৃত বিষয়াদি পরিত্যাগ করবে, আমৃত্যু আল্লাহর দ্বীনের উপর অবিচল ও দৃঢ় থাকবে। আল্লাহ বলেন,
﴿ ﺇِﻥَّ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻗَﺎﻟُﻮﺍْ ﺭَﺑُّﻨَﺎ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﺛُﻢَّ ﭐﺳۡﺘَﻘَٰﻤُﻮﺍْ ﺗَﺘَﻨَﺰَّﻝُ ﻋَﻠَﻴۡﻬِﻢُ ﭐﻟۡﻤَﻠَٰٓﺌِﻜَﺔُ ﺃَﻟَّﺎ
ﺗَﺨَﺎﻓُﻮﺍْ ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺤۡﺰَﻧُﻮﺍْ ﻭَﺃَﺑۡﺸِﺮُﻭﺍْ ﺑِﭑﻟۡﺠَﻨَّﺔِ ﭐﻟَّﺘِﻲ ﻛُﻨﺘُﻢۡ ﺗُﻮﻋَﺪُﻭﻥَ ٣٠
﴾ [ﻓﺼﻠﺖ : ٣٠ ]
“নিশ্চয় যারা বলে, ‘আমাদের রব আল্লাহ্’, তারপর অবিচলিত থাকে, তাদের কাছে নাযিল হয় ফেরেশ্তা (এ বলে) যে,তোমরা ভীত হয়ো না, চিন্তিত হয়ো না এবং তোমাদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তার জন্য আনন্দিত হও।”[15]আর হজের পর যে বিষয়টি বেশী গুরুত্বের দাবীদার, তা হচ্ছে একজন মুসলিম তার নিজের বিষয়টি বারবার দেখবে,
আত্মসমালোচনা করবে, পূর্বের কৃত আমলের ব্যাপারে নিজের হিসাব নিজে গ্রহণ করবে, তারপর নিজের জন্য এমন এক প্রোগ্রাম স্থাপন করবে যা সে প্রতিপালন করতে
পারে, যাতে করে সে হজের মাধ্যমে যে ঘরটি
বানিয়েছে তা পূর্ণ রূপ দিতে পারে।এসব কিছু এ জন্যই যে বান্দা হজের ফরয আদায় করার পর এবং এর জন্য আল্লাহর তাওফীক লাভের পর গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহের যথাযথ হেফাযত করবে।আমি মহান আল্লাহর কাছে কায়োমনোবাক্যে চাই তিনি যেন সবার হজ কবুল করেন এবং তাদের হজ মাবরুর (মাকবুল) করেন,তাদের প্রচেষ্টা সফল করেন এবং তাদের গুনাহ ক্ষমা করেন। আর আমি কথা, কাজে মহান আল্লাহর ইখলাস বা নিষ্ঠা
কামনা করি এবং সৃষ্টিকুলের সর্দার মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পথের উপর চলার তৌফিক কামনা করি। আরও চাই তিনি
যেন এ কাজটি দুনিয়ার জীবন ও মৃত্যুর পরে জীবনের জন্য গচ্ছিত আমল হিসেবে গ্রহণ করেন, নিশ্চয় তিনি এর অভিভাবক এবং তা করতে সক্ষম। আর সালাত ও সালাম রইল আমাদের নবী মুহাম্মাদ ও তার পরিবার ও
সকল সাহাবীর প্রতি।তথ্যসূত্রঃ[1] সূরা আল-মায়েদাহ্: ২৭।[2] সূরা আল-হিজর: ৯৯।
[3] সূরা ত্বা-হা: ৮২।[4] সূরা আন-নাহল: ৯২।
[5] সূরা আল-মুদ্দাসসির: ৪২-৪৩।[6] সূরা আত-তাওবাহ: ১১।[7] ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমাকে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে যতক্ষণ না তারা বলবে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ও মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল এবং সালাত কায়েম
করবে আর যাকাত প্রদান করবে। অতঃপর যদি তারা তা করে,তবে তাদের জান ও মাল আমার হাত থেকে নিরাপদ হবে, কিন্তু যদি ইসলামের অধিকার আদায় করতে হয়, তবে তা ভিন্ন কথা।
আর তাদের হিসাব নেয়ার ভার তো আল্লাহ্র উপর।’’ [বুখারী:২৫; মুসলিম: ২২][8] সূরা আত-তাওবাহ: ৫।[9] মুসলিম ১/৮৮, হাদীস নং ৮৮; ঈমান; সালাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর নামকরণ করা হয়েছে অধ্যায়; অনুরূপভাবে
হাদীসটি ইমাম আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থে সংকলন করেছেন,(২/৬৩১; হাদীস নং ৪৬৭৮) কিতাবুল ঈমান, ইরজা তথা আমল না
করে আশাবাদী হওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যাত হওয়া অধ্যায়।[10] তিরমিযী; তুহফাতুল আহওয়াযী সহ (৭/৩০৮, নং ২৭৫৬);
কিতাবুল ঈমান এর ‘সালাত পরিত্যাগ করার ব্যাপারে যা এসেছে অধ্যায়ে।[11] তিরমিযী; তুহফাতুল আহওয়াযী সহ (৭/৩০৯, নং ২৭৫৭);কিতাবুল ঈমান এর ‘সালাত পরিত্যাগ করার ব্যাপারে যা এসেছে অধ্যায়ে।
[12] সূরা আল-বাকারাহ: ৪৩।[13] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ (১/৭৫, হাদীস নং ২৫), কিতাবুল ঈমান, ‘যদি তারা তাওবাহ করে এবং সালাত কায়েম করে অধ্যায়;মুসলিম (১/৫১; হাদীস নং ২২) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ না বলা পর্যন্ত
মানুষের সাথে যুদ্ধ করা অধ্যায়।[14] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ (১৩/২৫০, হাদীস নং ৭২৮৪),
কিতাবুল ই‘তিছাম; ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতকে অনুসরণ অধ্যায়; মুসলিম (১/৫১; হাদীস নং ৩২)
মানুষের সাথে যুদ্ধ করা অধ্যায়।[15] সূরা ফুসসিলাত: ৩০।লেখক : ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ফালেহ আস-সুগাইর
অনুবাদক : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
সূত্র : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ, সৌদিআরব

Qurbani Ke Masail (Complete Lecture) By Adv. Faiz Syed[3-4 days.see-41:43hrs]

https://youtu.be/jZkQL6q1N-I
https://youtu.be/jZkQL6q1N-I
[3 or 4 days of quarbani-see-41:43hrs/55:30]

Qurbani ke 55 Masail | Abu Zaid Zameer

CLICK ON PHOTO:-

https://youtu.be/ciG8qZ_LUFE
 https://youtu.be/ciG8qZ_LUFE

One sheep as a sacrifice on behalf of all of his family.


Narrated `Abdullah bin Hisham:
who was born during the lifetime of the Prophet () that his mother, Zainab bint Humaid had taken him to Allah's Messenger () and said, "O Allah's Messenger ()! Take his Pledge of allegiance (for Islam)." The Prophet () said, "He (`Abdullah bin Hisham) is a little child," and passed his hand over his head and invoked Allah for him. `Abdullah bin Hisham used to slaughter one sheep as a sacrifice on behalf of all of his family.
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ ـ هُوَ ابْنُ أَبِي أَيُّوبَ ـ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو عَقِيلٍ، زُهْرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هِشَامٍ، وَكَانَ، قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَذَهَبَتْ بِهِ أُمُّهُ زَيْنَبُ ابْنَةُ حُمَيْدٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَايِعْهُ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هُوَ صَغِيرٌ ‏"‏ فَمَسَحَ رَأْسَهُ وَدَعَا لَهُ، وَكَانَ يُضَحِّي بِالشَّاةِ الْوَاحِدَةِ عَنْ جَمِيعِ أَهْلِهِ‏.‏
Reference
 : Sahih al-Bukhari 7210
In-book reference
 : Book 93, Hadith 70
USC-MSA web (English) reference
 : Vol. 9, Book 89, Hadith 317
  (deprecated numbering scheme)


[http://sunnah.com/bukhari/93]
++++++++++++++++++++++++++
Narrated 'Ata bin Yasar:
"I asked Abu Abyub [Al-Ansari] how the slaughtering was done during the time of the Messenger of Allah (). He said: A' man would sacrifice a sheep for himself and the people in his household. They would eat from it and feed others, until the people (later) would boast about it and it became as you see now."

Grade
: Sahih (Darussalam)

Reference
 : Jami` at-Tirmidhi 1505

In-book reference
 : Book 19, Hadith 16

English translation
 : Vol. 1, Book 17, Hadith 1505

[http://sunnah.com/tirmidhi/19]
+++++++++++++++++++++++++











        

There is a big confusion regarding the 3 or 4 days : there are four days of sacrifice


How many days qurbani is allowed in eid-ul-adha?


There is a big confusion regarding the  3 or 4 days.

The time for offering the sacrifice begins after the Eid prayer on Eid al-Adha and ends when the sun sets on the thirteenth of Dhu’l-Hijjah. So there are four days of sacrifice: the day of Eid al-Adha and the three days after it.


Ibn al-Qayyim (may Allaah have mercy on him) said in Zaad al-Ma’aad (2/319): 
‘Ali ibn Abi Taalib (may Allaah have mercy on him) said: “The days of sacrifice are the Day of Sacrifice (yawm al-nahr) and the three days after it.”
The three days are specified because they are the days of Mina, the days of stoning (the Jamaraat) and the day of al-Tashreeq. It is forbidden to fast on these days. It was narrated via two isnaads, one of which supports the other, that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “All of Mina is the place of sacrifice, and all the days of al-tashreeq are days of sacrifice.”
[Reported in Ibn Majah , Ahmad, Baihaqi and the hadeeth was classed as saheeh by al-Albaani in al-Silsilah al-Saheehah, 2476]

Shaykh Ibn ‘Uthaymeen said in Ahkaam al-Udhiyah, concerning the time for offering the sacrifice: 
It is from after the Eid prayer on the Day of Sacrifice until the sun sets on the last of the days of al-tashreeq, which is the thirteenth of Dhu’l-Hijjah. So there are four days of sacrifice: the day of Eid after the prayer, and three days after that.
It is permissible to offer the sacrifice during that time by night or by day, but it is better during the day

Thursday, 24 September 2015

ঈদুল আযহার সংক্ষিপ্ত কিছু আদব ও আহকাম

ঈদ মুবারাক।
ঈদুল আযহার সংক্ষিপ্ত কিছু আদব ও আহকাম :
১. তাকবীর : আরাফার দিনের ফজর থেকে শুরু করে
তাশরীকের দিনের শেষ পর্যন্ত, তথা জিলহজ মাসের
তের তারিখের আসর পর্যন্ত তাকবীর বলা। আল্লাহ
তাআলা
বলেন :
আর তোমরা আল্লাহকে স্মরণ কর নির্দিষ্ট দিনসমূহে।
(বাকারা
: ২০৩)
তাকবীর বলার পদ্ধতি :
” ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ ﻭﻟﻠﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ “
আল্লাহর যিকির বুলন্দ ও সর্বত্র ব্যাপক করার নিয়তে
পুরুষদের
জন্য মসজিদে, বাজারে, বাড়িতে ও সালাতের
পশ্চাতে উচ্চ
স্বরে তাকবীর পাঠ করা সুন্নত।
২. কুরবানী করা : ঈদের দিন ঈদের সালাতের পর
কুরবানী
করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন :
যে ব্যক্তি ঈদের আগে যবেহ করল, তার উচিত তার
জায়গায়
আরেকটি কুরবানী করা। আর যে এখনো কুরবানী
করেনি,
তার উচিত এখন কুরবানী করা। (বুখারী ও মুসলিম)
কুরবানী
করার সময় চার দিন। অর্থাৎ নহরের দিন এবং তার
পরবর্তী
তাশরীকের তিন দিন। যেহেতু রাসূলূল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
তাশরীকের দিন কুরবানীর দিন। (সহীহ হাদীস সমগ্র :
২৪৬৭)
৩. পুরুষদের জন্য গোসল করা ও সুগন্ধি মাখা : সুন্দর
কাপড়
পরিধান করা, ঢাকনার নিচে কাপড় পরিধান না করা,
কাপড়ের
ক্ষেত্রে অপচয় না করা। দাঁড়ি না মুণ্ডানো, এটা
হারাম।
নারীদের জন্য ঈদগাহে যাওয়া বৈধ, তবে আতর ও
সৌন্দর্য
প্রদর্শন পরিহার করে। মুসলিম নারীদের জন্য কখনো
শোভা পায় না যে, সে আল্লাহর ইবাদাতের জন্য
তাঁরই গুনাতে
লিপ্ত হয়ে ধর্মীয় কোন ইবাদাতে অংশ গ্রহণ করবে।
যেমন সৌন্দর্য প্রদর্শন, সুসগন্ধি ব্যবহার ইত্যাদি করে
ঈদগাহে উপস্থিত হওয়া।
৪. কুরবানীর গোস্ত ভক্ষণ করা। ঈদুল আজহার দিন
রাসূলূল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খানা খেতেন না,
যতক্ষণ না তিনি
ঈদগাহ থেকে ফিরে আসতেন, অতঃপর তিনি কুরবানী
গোস্ত থেকে ভক্ষণ করতেন।
৫. সম্ভব হলে ঈদগাহে হেঁটে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া :
ঈদগাহতেই সালাত আদায় করা সুন্নত। তবে বৃষ্টি বা
অন্য কোন
কারণে মসজিদে পড়া বৈধ, যেহেতু রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পড়েছেন।
৬. মুসলমানদের সাথে সালাত আদায় করা এবং খুতবায়
অংশ গ্রহণ
করা : উলামায়ে কেরামদের প্রসিদ্ধ ও বিশুদ্ধ মত
হচ্ছে,
ঈদের সালাত ওয়াযিব। এটাই ইবনে তাইমিয়া
বলেছেন, যেমন
আল্লাহ তাআলা বলেন :
অতএব তোমরা রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর
কর।
(কাউসার : ২)
উপযুক্ত কোন কারণ ছাড়া ঈদের সালাতের ওয়াজিব
রহিত হবে
না। মুসলমানদের সাথে নারীরাও ঈদের সালাতে
হাজির হবে।
এমনকি ঋতুবতী নারী ও যবতী মেয়েরা। তবে ঋতুবতী
নারীরা ঈদগাহ থেকে দূরে অবস্থান করবে।
৭. রাস্তা পরিবর্তন করা : এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে
যাওয়া ও অপর
রাস্তা দিয়ে ঈদগাহ থেকে বাড়ি ফেরা মুস্তাহাব।
যেহেতু তা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম
করেছেন।
৮. ঈদের সুভেচ্ছা জানানো : ঈদের দিন একে অপরকে
সুভেচ্ছা বিনিময় করা : যেমন বলা :
ﺗﻘﺒﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻨﺎ ﻭﻣﻨﻜﻢ. ﺃﻭ ﺗﻘﺒﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﻣﻨﺎ ﻭﻣﻨﻜﻢ ﺻﺎﻟﺢ ﺍﻷﻋﻤﺎﻝ .
অর্থ : আল্লাহ আমাদের থেকে ও তোমাদের থেকে
নেকআমলসমূহ কবুল করুন। বা এ ধরণের অন্য কিছু বলা।
এ দিনগুলোতে সাধারণ ঘটে যাওয়া কিছু বেদআত ও
ভুল
ভ্রান্তি থেকে সকলের সতর্ক থাকা জরুরী : যেমন :
১. সম্মিলিত তাকবীর বলা : এক আওয়াজে অথবা
একজনের
বলার পর সকলের সমস্বরে বলা থেকে বিরত থাকা।
২. ঈদের দিন হারাম জিনিসে লিপ্ত হওয়া : গান
শোনা, ফিল্ম
দেখা, বেগানা নারী-পুরুষের সাথে মেলামেশা করা
ইত্যাদি
পরিত্যাগ করা।
৩. কুরবানী করার পূর্বে চুল, নখ ইত্যাদি কর্তন করা।
রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানী
দাতাকে জিলহজ মাসের
আরম্ভ থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত তা থেকে বিরত
থাকতে বলেছেন।
৪. অবপচয় ও সীমালঙ্ঘন করা : এমন খরচ করা, যার
পিছনে
কোন উদ্দেশ্য নেই, যার কোন ফায়দা নেই, আর না
আছে যার কোন উপকার। আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
আর তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি
অপচয়কারীদেরকে ভালবাসেন না। (আনআম : ১৪১)
করবানীর বৈধতা ও তার কতক বিধান :
কুরবানীর অনুমোদনের ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলা
বলেন।
অতএব তোমরা রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর
কর।
(কাউসার : ২)
তিনি আরো বলেন :
আর কুরবানীর উটকে আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর
অন্যতম নিদর্শন বানিয়েছি। (হজ : ৩৬)
কুরবানী সুন্নতে মুয়াক্কাদা। সামর্থ থাকা সত্বে তা
ত্যাগ করা
মাকরুহ। আনাস রাদিআল্লাহু আনহুর হাদীসে রয়েছে,
যা
বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন। তারা বলেন :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
তরতাজা ও শিং ওয়ালা দুটি
মেষ নিজ হাতে যবেহ করেছেন এবং তিনি তাতে
বিসমিল্লাহ
ও তাকবীর বলেছেন।
কুরবানীর পশু : উঠ, গরু ও বকরী ছাড়া কুরবানী শুদ্ধ নয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
যাতে তারা আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে,
যেসমস্ত জন্তু
তিনি রিয্ক হিসেবে দিয়েছেন তার উপর। (হজ : ৩৪)
কুরবানী শুদ্ধ হওয়ার জন্য ত্রুটি মুক্ত পশু হওয়া জরুরী :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়াসাল্লাম
বলেছেন : কুরবানীর
পশুতে চারটি দোষ সহনীয় নয় : স্পষ্ট কানা, স্পষ্ট
অসুস্থ্য,
হাড্ডিসার ও ল্যাংড়া পশু। (তিরমিযী : কিতাবুল হজ :
৩৪)
যবেহ করার সময় : ঈদের সালাতের পর কুরবানীর সময়
শুরু
হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন :
যে সালাতের পূর্বে যবেহ করল, সে নিজের জন্য যবেহ
করল। আর যে খুতবা ও ঈদের সালাতের পর কুরবানী
করল,
সে তার কুরবানী ও সুন্নত পূর্ণ করল। (বুখারী ও মুসলিম)
যে সুন্দর করে যবেহ করার ক্ষমতা রাখে তার উচিত
নিজ
হাতে কুরবানী করা। কুরবানীর সময় বলবে :
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻫﺬﺍ ﻋﻦ ﻓﻼﻥ
কুরবানীকারী নিজের নাম বলবে অথবা যার পক্ষ
থেকে
করবানী করা হচ্ছে তার নাম বলবে । যেমন রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
{ ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻛﺒﺮ، ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻫﺬﺍ ﻋﻨﻲ ﻭﻋﻦ ﻣﻦ ﻟﻢ ﻳُﻀﺢ ﻣﻦ ﺃﻣﺘﻲ }
[ ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻭﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ] ،
বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার; হে আল্লাহ, এটা
আমার পক্ষ
থেকে এবং আমার উম্মতের মধ্যে যারা কুরবানী
করেনি,
তাদের পক্ষ থেকে। (আবূদাউদ ও তিরমিযী)
কুরবানীর গোস্ত ভণ্টন করা : কুরবানী পেশকারী
ব্যক্তির
জন্য সুন্নত হচ্ছে কুরবানীর গোস্ত নিজে খাওয়া,
আত্মীয় ও প্র্রতিবেশীদের হাদিয়া দেয়া এবং
গরীবদের
সদকা করা। আল্লাহ তাআলা বলেন :
অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ-দরিদ্রকে
থেকে
দাও। (হজ : ২৮)
তিনি আরো বলেন :
তখন তা থেকে খাও। যে অভাবী, মানুষের কাছে হাত
পাতে না এবং যে অভাবী চেয়ে বেড়ায়-তাদেরকে
খেতে দাও। (হজ : ৩৬)
পূর্বসূরীদের অনেকের পছন্দ হচ্ছে, কুরবানীর
গোস্ত তিনভাগে ভাগ করা। এক তৃতীয়াংশ নিজের
জন্য রাখা।
এক তৃতীয়াংশ ধনীদের হাদীয়া দেয়া। এক তৃতীয়াংশ
ফকীরদের জন্য সদকা করা। পারিশ্রমিক হিসেবে
এখান
থেকে কসাই বা মজদুরদের কোন অংশ প্রদান করা
যাবে না।
কুরবানী পেশকারী যা থেকে বিরত থাকবে : যখন
কেউ
কুরবানী পেশ করার ইচ্ছা করে আর জিলহজ মাস
প্রবেশ
করে, তার জন্য চুল, নখ অথবা চামড়ার কোন অংশ
কাটা হারাম,
যতক্ষণ না কুরবানী করে। উম্মে সালমার হাদীসে
রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
{ ﺇﺫﺍ ﺩﺧﻠﺖ ﺍﻟﻌﺸﺮ ﻭﺃﺭﺍﺩ ﺃﺣﺪﻛﻢ ﺃﻥ ﻳﻀﺤﻲ ﻓﻠﻴﻤﺴﻚ ﻋﻦ ﺷﻌﺮﻩ
ﻭﺃﻇﻔﺎﺭﻩ } [ ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺣﻤﺪ ﻭﻣﺴﻠﻢ] ، ﻭﻓﻲ ﻟﻔﻆ : { ﻓﻼ ﻳﻤﺲ ﻣﻦ ﺷﻌﺮﻩ
ﻭﻻ ﺑﺸﺮﻩ ﺷﻴﺌﺎً ﺣﺘﻰ ﻳﻀﺤﻲ }
যখন জিলহজ মাসের দশ দিন প্রবেশ করে এবং
তোমাদের
কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা করে, সে তখন থেকে চুল ও
নখ কর্তন থেকে বিরত থাকবে। ইতিপূর্বে যা কর্তন
করেছে, সে জন্য তার কোন গুনা হবে না।
কুরবানী দাতার পরিবারের লোক জনের নখ, চুল
ইত্যাদি
কাঁটাতে কোন সমস্যা নেই।
কোন কুরবানী দাতা যদি তার চুল, নখ অথবা চামড়ার
কোন অংশ
কেঁটে ফেলে, তার জন্য উচিত তাওবা করা,
পুনরাবৃত্তি না করা,
তবে এ জন্য কোন কাফ্ফারা নেই এবং এ জন্য
কুরবানীতে
কোন সমস্যা হবে না। আর যদি ভুলে, অথবা না জানার
কারণে
অথবা অনিচ্ছাসত্বে কোন চুল পড়ে যায়, তার কোন
গুনা
হবে না। আর যদি সে কোন কারণে তা করতে বাধ্য হয়,
তাও
তার জন্য জায়েয, এ জন্য তার কোন কিছু প্রদান
করতে
হবে না। যেমন নখ ভেঙ্গে গেল, ভাঙ্গা নখ তাকে কষ্ট
দিচ্ছে, সে তা কর্তন করতে পারবে, তদ্রূপ কারো চুল
বেশী লম্বা হয়ে চোখের উপর চলে আসছে, সেও
চুল কাঁটতে পারবে অথবা কোন চিকিৎসার জন্যও চুল
ফেলতে পারবে।
মুসলিম ভাইদের প্রতি আহব্বান : আপনারা উপরে
বর্ণিত
নেকআমল ছাড়াও অন্যান্য নেকআমলের প্রতি যত্নশীল
হোন। যেমন আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা-সাক্ষাত
করা, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করা, একে অপরকে
মহব্বত করা এবং
গরীব ও ফকীরদের উপর মেহেরবান হওয়া এবং তাদের
আনন্দ দেয়া ইত্যাদি।
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি আমাদেরকে তাঁর
পছন্দনীয়
কথা, কাজ ও আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

Wednesday, 23 September 2015

Two Eids Takbirs in Sahih Hadiths-7+5 : ঈদের সালাত ১২ তাকবীর হল কেন ?


ঈদের সালাত ১২ তাকবীর হল কেন ?


ঈদের সালাত ১২ তাকবীর হল কেন ?

ঈদ মানে খুশি । মুমিন বান্দা বেশি খুশি হবে যেদিন তাঁর রবের, সৃষ্টিকর্তার সাক্ষাত পাবে এবং বেহেস্তে প্রবেশ করবে ।

গভিরভাবে চিন্তা করে দেখুন, মেরাজে রাসুল (সাঃ) ৭ আসমান অতিক্রম করেছিলেন এবং আল্লাহর নিকট হতে ৫ ওয়াক্ত ফরজ সালাত বান্দার জন্য নিয়ে এসেছেন ।
এটা হতে পারে যে, ঈদের সালাতের ১ম ৭ তাকবীর একেকটি আকাশ অতিক্রমের স্মরনে করা হয়েছে এবং ২য় ৫ তাকবীর ৫ ওয়াক্ত সালাত পাওয়ার স্মরনে করা হয়েছে । (আল্লাহ ভাল জানেন)
যাই হোক না কেন
[by-sgis-its baseless]]
সহীহ হাদিসে ১ম রাকাতে ৭ ও ২য় রাকাতে ৫ বর্ণিত হয়েছে তাই ঈদের সালাত ১২ তাকবীর ।
১ম ৭ তাকবীর হল- ১ তাকবীরে তাহরীমা + অরিতিক্ত ৬ তাকবীর =৭ তাকবীর । বেদাতীরা তাওকবীরে তাহরীমা + অতিরক্ত ৩ বা ৭ তাকবীর দেয় ।
২য় ৫ তাকবীর হল- ১ম রাকাতের সেজদা হতে উঠে, হাত বাঁধার পর ফাতেহা, কেরাতের আগে ৫ তাকবীর । বেদাতীরা ফাতেহা, কেরাতের পরে ২য় সেজদার আগে তিন বা ৫ তাকবীর দেয় ।
সহীহ পদ্ধতী হল সকল রাকাতে ফাতেহা, কেরাতের আগে তাকবীর হবে ।
অনেকে উপরে কথার দলিল জানতে চেয়েছেন । দলিল দেখুন-
তাকবীর
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে রাসুল (সঃ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালতে প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে কিরাতের পুর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (আবু দাউদ ১ম খন্ড ১৬৩ পৃঃ; দারা কুতনী ১ম খন্ড ১৮০ পৃঃ; তায়ালীকুল মাগানী দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৬ পৃঃ)

আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯২ পৃঃ; সুনানে দারা কুতনী ২য় খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুস্তাদরাকে হাকিম ১ম খন্ড ২৯৮ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ইমাম বাগাবী ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৫ পৃঃ; মুসনাদে আহমাদ কানযুল উম্মাল সম্পাদিত ৬ষ্ঠ খন্ড ৬৫ পৃঃ; বায়হাকী সুনানুস সগীর ১ম খন্ড ২০৬ পৃঃ; বায়হাকী মাআরিফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৭১ পৃঃ; সহীহ ইবনু খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ)

আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (সঃ) বলেছেন- দুই ঈদের সালাতের তাকবীর হলো প্রথম রাকাতে সাত এবং দ্বিতীয় রাকাতে পাঁচ তাকবীর (দারাকুতনী ১ম খন্ড ১৮১ পৃঃ; তিরমিযী ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; নাইলুল আওতার ৩য় খন্ড ৩৬৭ পৃঃ; শরহে মায়ানীল আসার তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ)

হযরত নাফে (রহঃ) বলেন আমি হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়েছি । তিনি উভয় নামাযে প্রথম রাকাতে কেরাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাতে কেরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর বলেছেন (আল মুয়াত্তা ইমাম মালেক ২/২৩২ হাঃ ৪৩৪; ইরওয়াউল গালীল ৩/১১০; তাহাবী ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; মুসান্নাফে আব্দুর রায্‌যাক ৩য় খন্ড ২৯২ পৃঃ; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ২য় খন্ড ৮১ পৃঃ; ইলাদুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৭ পৃঃ; মুয়াত্তা মুহাম্মাদ ১৪১ পৃঃ হাঃ ২৩৯)

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি নবী (সঃ) হতে বর্ণনা করেন যে নবী (সঃ) দুঈদের সালাতে ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কিরাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (ইলালুদ দারাকুতনী ৯ম খন্ড ৪৬ পৃঃ; আহমাদ শাকের সম্পাদিত মুসনাদে আহমাদ ১৬তম খন্ড ২৭৮ পৃঃ)

কাসীর বিন আব্দিল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি পিতা হতে এবং তার পিতা তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে আল্লাহর নবী (সঃ) দুই ঈদের সালাতে প্রথম রাকাতের পূর্বে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন (তিরমিযী কুতুবখানা রাশেদিয়া ১ম খন্ড ৭০ পৃঃ; মাকতাবা আশরাফিয়া দেওবন্দ ১১৯ পৃঃ; শরহুস সুন্নাহ ৪র্থ খন্ড ৩০৮ পৃঃ; ইবনে মাযাহ ১ম খন্ড ৯১ পৃঃ; মেশকাত ১২৬ পৃঃ; সহীহ ইবনে খুযায়মা ২য় খন্ড ৩৪৬ পৃঃ; তাযয়ীনুল মামালিক ১৫৫ পৃঃ; আল আওসাত ৪র্থ খন্ড ২৭৮ পৃঃ; তাহাবী শরীফ ২য় খন্ড ৩৯৯ পৃঃ; মুদাওয়ানাতুল কুবরা ১ম খন্ড ১৬৯ পৃঃ; সুনানে কুবরা বায়হাকী ৩য় খন্ড ৪০৪ পৃঃ; ত্ববরানী কাবির ১৭তম খন্ড ১৫ পৃঃ; বায়হাকী মাআরেফাতুস সুনান ৫ম খন্ড ৬৯-৭০ পৃঃ)

খুৎবার পূর্বে দুরাকাত নামায, ১ম রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৭ তাকবীর এবং ২য় রাকাতে কেরাতের পূর্বে ৫ তাকবীর (মেশকাত ১২৬ পৃঃ)

১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়ার হাদিস সহীহ (ফেকাহ শরাহ বেকায়া ১৫১ পৃঃ)

চার খলিফা সহ প্রায় সকল সাহাবী তাবেয়ী ও শ্রেষ্ঠ ইমামগণ ১২ তাকবীরে ঈদের নামায পড়েছে (বায়হাকী ৩য় খন্ড ২৯১ পৃঃ)

আবু ইউসুফ (রহঃ) হতে বর্ণিত তিনি ঈদের সালাতে ১২ তাকবীর দিতেন (বাদায়িউস সানায়ী ১ম খন্ড ৪২০ পৃঃ)

আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ থেকে বর্ণিত আছে যে তারা উভয়ই ১২ তাকবীরে ঈদের সালাত পড়তেন (রদ্দুল মুহতার, দুররে মুখতার শামী ৩য় খন্ড ৫০ পৃঃ)

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) ১২ তাকবীরের উপর আমল করেছেন । এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত নয় বরং তাহলো নবী (সঃ) এর নির্দেশ । যার উপর আমল করা অপরিহার্য কর্তব্য (আত-তালীকুল মুমাজ্জাদ ১৪১ পৃঃ; আইনী তোহফা সালাতে মোস্তফা ২য় খন্ড ১৩৯ পৃঃ)

১২ তাকবীরই হলো সর্বোত্তম এবং এটার উপরই আমল করতে হবে (আল মুগনী ৩য় খন্ড ২৭২ পৃঃ)

ঈদের সালাতের তাকবীরে মুক্তাদিরা ইমামের অনুসরণ করবে, অধিকাংশ সাহাবা (রাঃ) ও অধিকাংশ ওলামাগণ ১ম রাকাতে সাত তাকবীর এবং ২য় রাকাতে পাঁচ তাকবীর দিতেন (মাজমুয়া ফাতওয়া ইবনে তাইমিয়া ২৪তম খন্ড ২২০ পৃঃ)

১ম রাকাতে পরস্পর সাত তাকবীর দিতে হবে এবং ২য় রাকাতে পরস্পর পাঁচ তাকবীর দিতে হবে (যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ২৫১ পৃঃ)

ঈদের সালাতে ১২ তাকবীরের আরও দলিল দেখুন (মিশকাত-মাওলানা নুর মোহাম্মাদ আযমী ৩য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; মিসকাত মাদ্রাসার পাঠ্য ২য় খন্ড হাঃ ১৩৪৫, ১৩৪৭; বাংলা অনুবাদ বুখারি মাওলানা আজীজুল হক ১ম খন্ড হাঃ ৫৩৬; সহিহ আল বুখারি আঃ প্রঃ ১ম খন্ড হাঃ ৯১৫, ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪; বুখারী শরীফ ইঃ ফাঃ ২য় খন্ড হাঃ ৯১৮, ৯২২, ৯২৩, ৯২৪)

জানাতে পারেন
২৯) ঈদের নামাযের তাকবীর সংখ্যা ৬ টি । এর কুরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল লিখিত জানাবেন ।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
Two Eids Takbirs in Sahih Hadiths-7+5  [see details in url below]

Kathir bin Abdullah narrated from this father, from his grandfather:
"The Prophet said the Takbir in the first (Rak'ah) sever (times) before the recitation, and in the last, five (times) before the recitation."
Grade
Hasan (Darussalam)


Reference
 : Jami` at-Tirmidhi 536
In-book reference
 : Book 5, Hadith 7
English translation
 : Vol. 1, Book 5, Hadith 536[sunnah.com]
++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++++

Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:
The Messenger of Allah () would say the takbir (Allah is most great) seven times in the first rak'ah and five times in the second rak'ah on the day of the breaking of the fast and on the day of sacrifice (on the occasion of both the 'Id prayers, the two festivals).
Grade
Sahih (Al-Albani)
  صحيح   (الألباني)
حكم     :
Reference
 : Sunan Abi Dawud 1149
In-book reference
 : Book 2, Hadith 760
English translation
 : Book 3, Hadith 1145






+++++++++++++++++++++++++++++++++++


It is Sunnah to say the extra takbeers i.e. say 'Allaahu Akbar' seven times in the first rak'ah and five times in the second. [Aboo Daawood, Ahmad & others.] It is preferable to only raise the hands to the shoulders after the first takbeer and then fold them upon the chest. However, it is authentically reported from Ibn 'Umar (radhiAllaahu 'anhumma) that he would raise his hands with every takbeer.   - http://maktabasalafiya.blogspot.in/2011_08_01_archive.html#sthash.OF322FUH.dpuf
++++++++++++++++++++++++

In the first rak’ah he should say Takbeerat al-ihraam (say “Allaahu akbar” to start the prayer), after which he should say six or seven more takbeers, because of the hadeeth of ‘Aa’ishah (may Allaah be pleased with her), “The takbeer of al-Fitr and al-Adha is seven takbeers in the first rak’ah and five takbeers in the second, apart from the takbeer of rukoo’.” Narrated by Abu Dawood and classed as saheeh by al-Albaani in Irwa’ al-Ghaleel, 639.
+++++++++++++++++++++++++++++++

See in DETAILS:-


compiled by-sgis-23.09.2015-ghy

[taqwir is not in good[sgis]-https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=1666887226885733&id=1612364305671359]